কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবাদিক সম্মেলন।

প্রকাশিত: ৫:২০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২০

কুড়িগ্রাম;প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের রৌমারী উপজেলা চত্বর মৃত্যু বাইন উদ্দিন সরকারের ছেলে বীর মুক্তিযাদ্ধা মোঃ আব্দুল মজিদ ও রৌমারী উপজেলার ৬নং চর শৌলমারী বন্দবেড় ইউনিয়নের ঘুঘুমারী গ্রামের মৃত্যু মোসলিম উদ্দিনের ছেলে বীর মুক্তিযােদ্ধা মোঃ জাবেদ আলীর বিরুদ্ধে মুক্তিযােদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় লিখিত অভিযােগ ও দুই বীর মুক্তিযাদ্ধাকে মুক্তিযােদ্ধার তালিকা থেকে নাম বাদের তালিকা প্রকাশ করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । স্থানীয় দুই মুক্তিযাদ্ধা ঐ মিথ্যা অভিযােগের ভিত্তিতে তাদের নাম বাদের তালিকায় আসে। প্রতিবাদে রৌমারী উপজেলার মুক্তিযােদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদের এর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তার বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়ােজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযুক্ত দুই মুক্তিযাদ্ধা বলেন আমরা ১১নং সেক্টরের টু এমএফ কোম্পানির বীর বিক্রম ও বীর উত্তম আফতাব উদ্দিন সুবদারের অধীনে যুদ্ধ করেছি। আমরা অদ্যবধি মুক্তিযােদ্ধার সকল সুযাগ সুবিধা এবং ভাতা পেয়ে আসছি। কিন্তু দুই অসাধু মুক্তিযাদ্ধা আমাদের নিকট থেকে অর্থ আদায় করার জন্য, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযােগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযােগের প্রেক্ষিতে জাতীয় মুক্তিযাদ্ধা কাউন্সিল সরেজমিনে তদন্ত না করেই আমাদের মুক্তিযাদ্ধার তালিকা থেকে বাতিল করার তালিকা প্রকাশ করেছে। যা বর্তমানে স্থগিত রয়েছে । তাই আমাদের প্রাণের দাবী উক্ত অভিযােগটি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য আমরা সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আবেদন জানাচ্ছি। উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, রৌমারী উপজেলা মুক্তিযাদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযাদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল কাদের তিনি বলেন আমি দীর্ঘদিন থেকে মুক্তিযাদ্ধা কমান্ডার। আমাদের রৌমারী হলো মুক্তাঞ্চল। এখানে ছিল না কােনো রাজাকার। ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করছে, তারা সঠিক ভাবেই যুদ্ধ করেছে। দফায় দফায় মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা তদন্ত হয়েছে। কােন নাম বাদ পড়েনি। কিন্ত অভিযোগকারী দুইজন মুক্তিযােদ্ধা তাদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেছে দীর্ঘদিন থেকে। তাদেরকে অর্থ না দেওয়ায় মন্ত্রণালয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। মন্ত্রণালয়ে অভিযােগটি খতিয়ে না দেখেই বাতিলের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করেছে।তিনি আরো বলেন অভিযোগকারী দুই মুক্তিযোদ্ধা ৬নং সেক্টেরের যুদ্ধ করেছে যুদ্ধকালীন সময় ওই অভিযুক্ত দুই মুক্তিযোদ্ধার সাথে কোনদিন তাদের দেখাই হয়নি। এ ছাড়া সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন ৩নং বন্দবেড় ইউনিয়নের কমান্ডার চাঁন উল্লাহ, ৬নং শৌলমারী ইউনিয়নের কমান্ডার আব্দুল কুদ্দুস মােল্লা,বীর মুক্তিযাদ্ধা শাহ্ মাজহারুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানসহ ১০ জন বীর মুক্তিযাদ্ধা।