বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমনের দৃষ্টিনন্দিত লালমনিরহাটের শ্রেষ্ঠ ‘খান হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৮, ২০২০
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট: সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে যেমন স্থাপন করেছিলেন জগৎবিখ্যাত আগ্রার তাজমহল। তেমনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ তাঁর বংশের প্রতি যে ভালোবাসা ও নিজের স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ করেছেন দৃষ্টিনন্দন, নয়নাভিরাম, আকর্ষণীয় স্থাপত্যশৈলী ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ তৈরি করে। লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট পৌরসভার কালীবাড়ী মৌজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন নিজেই এই দৃষ্টিনন্দিত ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ তৈরি করেন। নিজের মেধা- মনন, স্বপ্ন, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব, বংশের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাকে উৎসাহ ও সাহস হিসেবে নিয়ে তিনি ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’- এঁর কাজ শুরু করেন।
তাই তো সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন তাঁর দৃষ্টিনন্দিত ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ কে নিয়ে লিখেছেন উত্তরবঙ্গের মধ্যে লালমনিরহাটের শ্রেষ্ঠ। লালমনিরহাটে এই প্রথম- লিফট চালিত; শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত; গাড়ি পার্কিং এর সুব্যবস্থা; ২৪ঘন্টা বিরতিহীন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। তাহলে সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন শুধু একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ নন, তিনি স্বপ্নীল রুচি সম্মত ব্যক্তিত্ব বটে। ইতোপূর্বে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সহপ্রচার সম্পাদক ও লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতির দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছেন।
বিগত ২০১৮ সালের ২২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’। সব ধরনের মানুষের রুচি সম্মতভাবে খাবারের জন্য ও রাত্রিবেলা আরামে ঘুমানোর জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় জমায় সেখানে। এছাড়াও দর্শনার্থীরা ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ দেখে এঁর কারুকার্যকে শিল্পকর্ম বলা যেতেই পারে বলে মনে করেছেন। কারণ ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ শুধু একটি বড় আবাসিক ও খাবারের হোটেল তেমনটা নয়, সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমনের মনের শির্পীর বাস্তবে তৈরি করা শিল্পকর্ম ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’। ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ এঁর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন পেসায় একজন ব্যবসায়ী। তার পাশাপাশি তিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন সেই ছাত্র জীবন থেকে।
‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ ঘুরে সাখাওয়াত হোসেন কাঁন সুমনের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তাঁর কাছে কেন এটার নাম ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ দেওয়া হল জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বংশ পরমপরায় খাঁন বংশের তাই শুরুতে খাঁন রয়েছে। হোটেলটি হলো আবাসিক ও রেষ্টুরেন্টটি হলো খাবারের জন্য। ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ আমি উতসর্গ করেছি আমার বংশকে উদ্দেশ্য করে। তাই সার্বিক অর্থে সমগ্র বংশকুলের প্রতি সম্মানার্থে এঁর নামকরণ করা হয় ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’। ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ দূর থেকে দেখে মনে হবে একটা ৭তলা ভবন। কিন্তু সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমনের কাছে এটা একটা শিল্পকর্ম বা আর্ট। ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ এ কারুকার্য ও ডিজাইনের মাধ্যমে সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন তুলে ধরেছেন জীবনদর্শণ, পরিবার ও মানুষের মননশীলতা। সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমনের কাছে এই ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’ নির্মাণ এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। তাই অনেকেই আমার সঙ্গে দেখা করতে আশে তখন তাদের আপ্যায়ন করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়াও দেখা গেছে, কেউ কেউ থেকে যায় আবাসিক হোটেলে। কিন্তু ভালো মানের খাবার ও রাত্রি যাপনের উন্নতমানের হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট আমাদের লালমনিরহাটে নেই। তাই আমার মনের মধ্যে একটি ইচ্ছে শক্তি জাগলো একটি হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দিবো। এই ৭তলা ভবনটি হলো ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের ভিড়ে মুখরিত হয়ে থাকে ‘খাঁন হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট’। যা লালমনিরহাটবাসীর জন্য গৌরবের ও আনন্দের।
এছাড়াও তাঁর অন্যান্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হলো- সুমন চাউল কর, মেসার্স সুমন ট্রেডার্স। পৈতিক সূত্রে পাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান- মেসার্স খাঁন ফার্টিলাইজার। অপরদিকে তিনি সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রজ- NO 1, টি কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ- পুষ্টি কনজুমার, অার এস পি এল গ্রুপের ঘড় ডিটারজেন- এর পরিবেশক নিয়েছেন। সেখানে অসংখ্যক শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তিনি একজনই। সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন। সবাই তাকে সংক্ষেপে সুমন খাঁন নামে চেনে। আমাদের লালমনিরহাটে যে কজন মানুষ সাফল্যের শীর্ষে উঠে নিজেকে অনুপ্রেরণীয় ব্যক্তিত্বো পরিণত করেছেন সাখাওয়াত হোসেন খাঁন সুমন তাদের অন্যতম। কেবল ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ হিসেবেই নয় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেই অর্জন করেছেন ব্যাপক খ্যাতি। তিনি যুবসমাজের। আইকন হিসেবে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ ধরে।
তিনি টানা ২য় বারের মতো লালমনিরহাট জেলার। সেরা করদাতা- (২০১৮ ও ২০১৯) ৩য় সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট পেয়েছেন।
তাঁকে মাদার তেরেসা সম্মাননা পদক- ২০১৯ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও তাঁকে মাদার তেরেসা স্বর্ণ পদক- ২০২০ প্রদান করা হয়েছে।

লেখক: সাংবাদিক ও সম্পাদক, সাপ্তাহিক আলোর মনি, লালমনিরহাট। মোবাঃ ০১৭৩৫৪৩৮৯৯৯