লালমনিরহাটের এষা আদ্রীতা দাস সংগীত নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে

প্রকাশিত: ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মে ২, ২০২০

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট: খুবই মিষ্ট মেয়ে এষা। তাঁর পুরো নাম- এষা আদ্রীতা দাস। সে খুবই ছোট বেলা থেকেই চঞ্চল প্রকৃতির। দেখতে যেমন মিষ্ট, তাঁর গাওয়া গানের কথাগুলোতেও মিষ্টি লেগে থাকে। এক কথায় অসাধারণ তাঁর গানের গলা। তাঁর পিতা- জেমস্ আশীষ দাস ও মাতা- এলিজা বেথ দাস পপি। লালমনিরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তন সংলগ্ন বাসা জুড়েই যেন সাংস্কৃতিক ঘেরা পরিবারে বেড়ে উঠা তাঁর জীবন। এষা আদ্রীতা দাসের জন্ম ২০০৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর। সে ২০১২ সালে লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সংগীতে ভর্তি হয়ে সংগীত চর্চা শুরু করেন। তাঁর পাশাপাশি উচ্চাঙ্গ সংগীতের শিক্ষক আবু জাহান চন্দন তালিম এবং শ্যামল চন্দ্র বর্মন- এঁর কাছেও সংগীতের নিয়মিত শিক্ষা নিচ্ছেন সেখান থেকে। সব গান খুবই মিষ্টি করে গাইলেও নজরুল সংগীত তাঁর প্রিয় গান। কেননা তাঁর বাবা জেমস্ আশীষ দাসও নজরুল সংগীতের উপর বেশ আয়ত্ব রয়েছে। এষা আদ্রীতা দাসের বাসাটি যেন এক সংগীতের স্টেডিও। ঘর জুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সংগীতের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।
সংগীতে যেমন চমৎকার গলা, তেমনি লেখাপড়ায় অন্যন্য মেধার অধিকারী এষা আদ্রীতা দাস। সে ২০১১ সালে বার্ণহার্ডট্ কিন্ডার গার্টেন স্কুলে ভর্তি হন। ২০১৬ সালে সফলতার সাথে প্রাইমারী পাশ করেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জাতীয় দিবস ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে মোট ৩২টি সনদপত্র অর্জন করে সংগীতে অসামান্য মেধার পরিচয় দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সকলকে। সে গান করে আসছেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।
দেখতে দেখতে এষা আদ্রীতা দাস এখন ফাকল পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পাস করে নবম শ্রেণীতে পড়ছেন। শিক্ষক ও সহপার্টিদের মাঝে এষা আদ্রীতা দাস এখন সবার প্রিয় একজন। এষা আদ্রীতা দাস সর্বদাই আনন্দময় ভাবে চলাফেরা করেন।
এষা আদ্রীতা দাস বলেন, আমি লেখাপড়া ও সংগীতকে সমান বাবে গুরুত্ব দেই। এবং সংগীতের উপর লেখাপড়া করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত একজন সংগীত শিল্পী হতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
লেখকঃ সাংবাদিক লালমনিরহাট। মোবাঃ ০১৭৩৫৪৩৮৯৯৯