কুড়িগ্রাম

লকডাউনে চিলমারী নদী বন্দরে ৭০ টাকার ভাড়া ৪০০ টাকা আদায়।

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:চিলমারী নদী বন্দরে খেয়াঘাটে ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুড়িগ্রাম জেলার অন্যতম ব্যস্ত এই খেয়াঘাটে ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না জেলা পরিষদের নির্ধারিত মূল্যতালিকা। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে জেলা পরিষদের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষ। আর বাড়তি ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়তই আদায়কারীদের সঙ্গে যাতায়াতকারীদের বাগ্বিতণ্ডা, এমনকি হাতাহাতি পর্যন্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইজারাদারের ইজারা বাতিল বা নজরদারিতে লোক নিয়োগের জন্য জেলা পরিষদের কাছে দাবি জানিয়েছে যাতায়াতকারীরা।

মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময় থেকেই চিলমারী ঘাটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। বঙ্গপুত্র নদ পার হয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কুড়িগ্রাম জামালপুর শেরপুর ও ঢাকায় যাতায়াত করে।

চিলমারী নদী বন্দর খেয়াঘাট দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারীরা www.englishbanglanews.com কাছে অভিযোগ করেছেন, নদী পার হতে নৌকায় মাথাপিছু ৭০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। অন্যদিকে যানবাহন ও মালামাল পারাপারের ক্ষেত্রে ইজারাদারের লোকেরা ক্ষেত্রবিশেষে কয়েক গুণ বেশি টাকা নিচ্ছে। মোটরসাইকেল ৫০ টাকার স্থলে ২০০-৩০০ টাকা। যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত এই হারে ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছে।

সম্প্রতি কয়েক দিন নদী বন্দরে এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ভাড়া আদায়কারীদের সঙ্গে যাতায়াতকারীদের বাগ্বিতণ্ডা অনেকটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি আজ মঙ্গলবার এই প্রতিবেদক নিজেই মোটরসাইকেল নিয়ে পার হলে তার কাছ থেকে ৫০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকা রাখা হয়। কারণ জানতে চাইলে আদায়কারীরা বলেন, এটাই এখানকার রেট।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণ জানতে চাইলে ঘাটের ইজারাদার তিনি এই প্রতিবেদকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।