রাজিবপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ইউনুছ আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ।

প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২১

রাজিবপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ইউনুছ আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
অধ্যক্ষ ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে একই কলেজের সিনিয়র শিক্ষক প্রায় ১২ লাখ টাকা কলেজের তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে গত ৫ আগষ্ট কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে রাজিবপুরের জনসাধারণের মাঝে বেশ সমালোচনায় পরেজান অধ্যক্ষ ইউনুস আলী,যা তার জন্য মানহানিকর।

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তার মানহানি করার জন্যই এমন অভিযোগ আনাহয়েছে।

সাংবাদিকদের অধ্যক্ষ ইউনুছ আলী বলেন, আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট মিথ্যা বিত্তহীন।প্রকাশিত নিউজে বলা হয়েছে ডিট অব গিফট এর সময় এফ ডি আর এর টাকা একাই উত্তলন করেছি।উল্লেখ্য যে, আমাদের ব্যাংক হিসাব নাম্বার যৌথ,ইচ্ছা করলেই টাকা উত্তলন করা যায় না। আমাদের অনেক ধাপ অতিক্রম করে টাকা তুলতে হয়, প্রথমে আমাদের ইউ এন ও’র কাছে প্রস্তাব দিতে হয় টাকা টা কোন কোন খাতে খরচ হবে, পরে ইউ এন ও বিষয় টি তদারকি করেন. তার পর চেক পাস হয়, পরে ব্যাংক থেকে ক্যাশ করতে হয় এবং খাত অনুযায়ী খরচ করতে হয়। বিগত দিনের অর্থ ব্যয়ের যথাযথ তথ্য কলেজ অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে।

ম্যানেজিং কমিটি থাকা অবস্থায় আমাদের কলেজে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন আছে, এবং পরে আবার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইউ এন ও তদন্ত করে,তাদেরকে ৬ হাজার করে আর্থিক সহযোগীতা দেওয়া হয়

ইতি মধ্যে ২০২০ সালের এইচ এস সি ও ডিগ্রি বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বোর্ড এর নির্দেশে ফরম ফিলাপ এর টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি মিথ্যা বিত্তহীন, আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছেন প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে কলেজ সরকারী হবে।
সেই ঘোষণা অনুযায়ী কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে,রাজিবপুর ডিগ্রি কলেজ সরকারী করণ করা হয়েছে যা মেনে নিতে পারেনি কলেজের-ই একটি পক্ষ,তারা শুরু থেকেই এই কলেজ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে কিন্তু সফল হতে পারেননি।

হয়তো আবার নতুন করে এই কলেজ কে সামনে আনার জন্য স্যারের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।স্যার এই কলেজে অনেক উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন। যারা এমন মিথ্যা অভিযোগ করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি