গর্ভধারিনী মায়ের কপাল ফাটিয়ে দিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাজু

প্রকাশিত: ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বাউল শিল্পী খ্যাত ক্লোজআপ ওয়ান তারকা মোঃ সাজু আহমেদ।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত মা, কুলাঙ্গার ছেলের যাবজ্জীবন শাস্তি দাবী করেছেন।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন পান্ডুল ইউনিয়নের তেলী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ক্লোজআপ ওয়ান তারকা শিল্পী সাজু আহমেদ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে মাতা রাণীজন বেওয়া এখন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

জানা যায়, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাজু আহমেদ শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। তার মাতা রাণীজন বেওয়া সন্তানকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জমি বন্দক রেখে পরিবারের টাকা সাজুর হাতে তুলে দেন। সন্তান প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের সকল বন্দক জমি উদ্ধার হবে এবং পরিবারের স্বচ্ছলতা ও শান্তি আসবে। এটাই ছিল সাজুর মায়ের স্বপ্ন। কিন্তু ক্লোজআপ ওয়ান তারকা খ্যাত কণ্ঠশিল্পি সাজু আহমেদ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হলেও তার পারিবারিক বন্দক রাখা জমিগুলো আর উদ্ধার করা হয়নি। বিভিন্ন ভাবে টাকা যোগার করে সাজুর মা রাণীজন বেওয়া বন্দকী জমির কিছু অংশ উদ্ধার করে বর্তমানে উক্ত জমিতে চাষাবাদ করা হচ্ছে।
https://www.facebook.com/3008709572473339/posts/6426302240714038/

সম্প্রতি সময়ে সাজু তার পৈত্রিক সম্পত্তির হিস্যা বুঝে চাইলে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে গত ১৬ আগস্ট শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত মতে এক বছরের জন্য সকল জমি তার মাতা রাণীজন বেওয়ার নিয়ন্ত্রণে হালচাষ করার মৌখিক সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে পান্ডুল ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাজু আহমেদ নিজেকে প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। টাকা পয়সার প্রয়োজনে নিজের পৈত্রিক জমি বিক্রি করতে না পেরে সাজু তার মায়ের সাথে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।

এরই জের ধরে গত ০৩/০৯/২০২১ইং শুক্রবার দুপুরে পরিবারের লোকজনের সাথে সাজুর সামান্য কথাকাটাকাটির জের ধরে সাজু কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে তার মা রাণীজন বেওয়া। বর্তমানে সাজুর মা কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।