মুক্তিযুদ্ধের গল্প

৪৮ বছরেও স্বীকৃতি পায়নি শহীদ বোরহান উদিন ।

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০১৯
শহীদ বোরহান উদিন

অনলাইন ডেস্ক ৩০ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৪
শহীদ বোরহান উদিন। ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করেন পাকিস্থানী বাহিনী ও দেশীয় রাজাকাররা। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও তাকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি এমন অভিযোগ তার পরিবারের সদস্যদের। শহীদ বোরহান উদ্দিনকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শহীদ বোরহান উদিনের বাড়ি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের উওর পারুলিয়া গ্রামে।

শহীদ বোরহান উদিনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা হোসেন মধু বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় ৩০ নভেম্বর সকালে আমার বাবাকে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায় পাকিস্থানী সেনাবাহিনী ও দেশীয় রাজাকাররা। তারা আমার বাবাকে পারুলিয়া হাই স্কুল মাঠে নিয়ে গিয়ে হাত-পা বেঁধে সারা দিন গায়ে গরম পানি ঢেলে নির্যাতনের পর সন্ধ্যায় গুলি করে হত্যা করেন। আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক ছিলেন। আর আমি ছিলাম মুক্তিযোদ্ধা। আমার বাবা ওই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছেন। এটাই ছিলো বাবার বড় অপরাধ স্বাধীনতা বিরোধীদের কাছে।

মুক্তিযুদ্ধের পর আমার বাবার নামে পারুলিয়া রেল ষ্টেশনকে বোরহান উদিন নগর রেলষ্টেশন নামে নাম করণ করা হলেও শহীদ সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। দীর্ঘ ৪৮ বছরে বিভিন্ন সময় আবেদন করেও আমার বাবার স্বীকৃতি টুকু পাইনি। আমরা তার সন্তান ও নাতি-পুতিরা শহীদ বোরহান উদিনকে শহীদ সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতি চাই।

হাতীবান্ধায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সংগ্রাম কমিটি”র সম্পাদক প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ বোরহান উদিন একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি ওই সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলায় তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়।

সূত্র: অনলাইন