অনলাইন ডেস্ক

এবার বিজিবি কর্মকর্তাদের নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে কিছু মিডিয়া।

প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
ছবি: অনলাইন

আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ আমি স্বপদে দায়িত্ব পালন করছি,’’ ডয়চে ভেলেকে কথাগুলো বলে সত্য প্রকাশ করলেন বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ৷
রাজশাহী সীমান্তে গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর গোলাগুলির ঘটনায় বিজিবির কমান্ডিং অফিসারসহ কয়েকজনের কোর্ট মার্শালের খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে৷ খবরটি ভারতের কয়েকটি মিডিয়াতেও প্রচার করা হয়েছে৷ ওই সব মিডিয়ার বরাত দিয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে৷
আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ আমি স্বপদে দায়িত্ব পালন করছি,’’ ডয়চে ভেলেকে কথাগুলো বলে সত্য প্রকাশ করলেন বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ৷
রাজশাহী সীমান্তে গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর গোলাগুলির ঘটনায় বিজিবির কমান্ডিং অফিসারসহ কয়েকজনের কোর্ট মার্শালের খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে৷ খবরটি ভারতের কয়েকটি মিডিয়াতেও প্রচার করা হয়েছে৷ ওই সব মিডিয়ার বরাত দিয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে৷
খবরের সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হলে বিজিবি ১ নম্বর ব্যাটেলিয়ন (রাজশাহী অঞ্চল)-এর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফেরদৌস বলেন, ‘‘ভারতের যে মিডিয়াগুলোতে খবর এসেছে, সেগুলো ফ্রন্টলাইনের কোনো মিডিয়া না৷ কেন এভাবে খবরটি ছড়ানো হচ্ছে তা-ও বুঝতে পারছি না৷’’ বিষয়টি কিভাবে সুরাহা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমরা তদন্ত করে রিপোর্টটি তাদের পাঠিয়েছি৷ সেখানেই বিষয়টির সুরাহা হয়ে গেছে৷ তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আগের পর্যায়ে আছে৷ গত কয়েকদিনে আমরা ফুটবল, ভলিবলও খেলেছি৷ এরমধ্যে একাধিকবার মিটিংও হয়েছে৷ এখন কোনো সমস্যা নেই৷
এমন একটি ভিত্তিহীন খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘প্রথমত এই বিষয়টি কেউই আমাদের নজরে আনেনি৷ নিয়মটা হলো, তথ্য মন্ত্রণালয় বা সরকারের গোয়েন্দারা এমন কোনো প্রোপাগান্ডা পেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে অবহিত করে৷ বিটিআরসি ফেসবুক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেটি বন্ধ করে দেয়৷’’ এই ধরনের খবর যারা ছড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে কি কখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? মন্ত্রী বলেন, ‘‘অবশ্যই অনেক উদাহরণ আছে৷ বিটিআরসির মনিটরিং করার সক্ষমতা নেই৷ কিন্তু যারা মনিটরিং করে, তারা জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হয়৷ আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা মানুষের সচেতনতার অভাব৷ এ কারণে গুজবগুলো ছড়ায়৷’’

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বাংলাদেশে ফেসবুকের কোনো অফিস নেই৷ তারপরও বাংলাদেশ যেহেতু তাদের একটা বড় বাজার, সেই কারণে আমাদের কথা মাঝেমধ্যে তারা শোনে৷ না শুনলেও কিছু করার নেই৷ তবে আশার কথা, বর্তমানে আমাদের সুপারিশের ৮০ ভাগই তারা পালন করে৷ ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)-তে ভুয়া খবরগুলো মনিটরিং করা হয়৷ তারাই এসব খবর আমাদের জানায়৷ তখন আমরা ফেসবুককে বললে ওই লিঙ্কগুলো বন্ধ করে দেয়৷ এমন বহু লিঙ্ক বন্ধ করা হয়েছে৷
সূত্র:ডয়চে ভেলে DW বাংলা