বিশেষ প্রতিনিধি।

রৌমারীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান।

প্রকাশিত: ৩:০২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
উপজেলা প্রশাসনের অভিযান।

মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, বিশেষ প্রতিনিধি।
রৌমারীতে যত্রতত্র মনগড়া অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অসাধু চক্ররা বানিজ্য করে চলছে। দির্ঘদিন থেকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নানা কুট কৌশলে সরকারী রাস্তার পাশ্বে, ডোবা নালা, খালবিলে অন্যের জমিতে, এমনকি নদ-নদীতে বানিজ্যিক ড্রেজার বসিয়ে সফল ব্যাবসা করে আসছিল। এমন ড্রেজিংয়ের ফলে রাস্তাঘাট খালবিল নদী নালায় বিরুপ প্রভাব পরে। এনিয়ে গ্রাম গঞ্জে,উপজেলা শহর থেকে দূরবর্তি অ লের এমন ঘটনা গুলো আড়লেই থেকে যেত। অভিযোগ পৌছতনা সরকারী দপ্তরে। বিচার না চেয়েই আর্তনাথ করতো ওই গাঁও গ্রামের মানুষ গুলো।প্রশাসনকে অভিশাপ দিয়ে আল্লাহ বিচার করবে বলে নিস্ক্রিয় হয়ে যেতো। এদিকে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান গত ২২অক্টোবর ২০১৯ রৌমারীতে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি উপজেলার সকল বিষয় দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছেন। তিনি কৌশলী ভুমিকা পালন করেন, যাতে বাগবিতন্ডা না হয়, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়িয়ে সফল অভিযান করেছেন। ইতো মধ্যে তিনি দাঁতভাঙ্গা, শৌলমারী,রৌমারী, যাদুরচর,লালকুড়া,বাওয়াইরগ্রাম,বন্দবেড়সহ প্রায় ২০ থেকে ২৫টি খাল-বিল ডোবানালায় বসানো ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে দেন। এদিকে গতকাল বিকেল ৫টায় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের ক্ষমতাবলে ফলুয়ারচর সোনাভরি নদীতে অভিযান চালান। অভিযানে আব্দুল মতিন ও মহর আলীর ২টি ড্রেজার মেশিন বালু উত্তোলন কালে জব্দ কনে। পরে জব্দকৃত মেশিন উপজেলা প্রশাসনের আওতায় জমা করা হয়।এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান বলেন, আমি দুমাস আগে রৌমারীতে যোগদান করেছি। তবে আমি এখানে যোগদানের পর থেকে এপর্যন্ত অনেক গুলো বালু উত্তলোন ড্রেজার বন্ধ করে দিয়েছি। আমার ভূমি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া আছে,কোথাও এমন অভিযোগ পেলে তা তাৎক্ষনিকভাবে বন্ধের ব্যাবস্থা করা হবে।